৫০ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম নির্মাণ করবে বিসিবি

 

পূর্বাচলে ৫০ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য নতুন জায়গা চেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে নকশা। জায়গা বরাদ্দ দেয়া হলেই শুরু হবে নির্মাণ কাজ। জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালক জালাল ইউনুস। এদিকে শিগগিরই বুয়েটের পরিকল্পনা অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা স্টেডিয়ামের মূল মাঠ ও আউটার স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ শুরু হবে বলেও জানান এই বিসিবি পরিচালক।

পূর্বাচলে নতুন স্টেডিয়ামের সঙ্গে পূর্নাঙ্গ ক্রিকেট কমপ্লেক্স তৈরির জন্য নকশা চূড়ান্ত করেছিল বিসিবি। কিন্তু বন বিভাগের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধে শঙ্কায় পড়েছিল স্টেডিয়াম নির্মাণ। তবে স্বস্তির খবর এরই মধ্যে নতুন জমি চেয়ে আবেদন করেছে ক্রিকেট বোর্ড। পূর্বাচলের ১ নম্বর সেক্টরে স্টেডিয়ামের সঙ্গে হোটেল নির্মাণের জন্য বিসিবির চাওয়া ৩৭ একর জমি।

জালাল ইউনুস বলেন, আমাদের জন্য নির্ধারণ করা ছিল ১৭ একর। এই জমি আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়। কেননা মিরপুরে যে জমি আছে, সেটাই হল ২৭ একর। স্টেডিয়ামের চাহিদা অনুযায়ী আমরা ৩৭ একর জমির জন্য আবেদন করছি।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম ছাড়া দেশের অন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলো দেখ-ভালের দায়িত্ব জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা-খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামসহ বেশ কিছু মাঠের সংস্কারের অভাবে বেহাল দশা। অবশেষে বাকি স্টেডিয়ামগুলো নিয়ে এনএসসির সঙ্গে ইজারা চুক্তি করেছে বিসিবি। যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে দু’পক্ষ।

ফতুল্লা স্টেডিয়ামের নিম্নমানের ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য গেলো বছর বেশ বিপাকে পড়তে হয়েছিল বিসিবিকে। বাতিল হয় অস্ট্রেলিয়ার নির্ধারিত একটি প্রস্তুতি ম্যাচ। অবশেষে সেই সমস্যা উত্তরণে কাজ শুরু হচ্ছে কাজ।

জালাল ইউনুস বলেন ফতুল্লা স্টেডিয়ামের নিম্নমানের ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য আমরা বুয়েটকে কাজ দিয়েছি। তারা একটা নকশা করবে। সেটাই নকশা অনুযায়ী কাজ হবে।

বাংলাদেশে মাঠ সংকট নতুন নয়। নির্ধারিত সময়ে ঘরোয়া লিগের খেলা সম্পন্ন করতে এরই মধ্যে রাজধানীর আশে পাশে নতুন কিছু মাঠও খুঁজছে ক্রিকেট বোর্ড।