সাহেদকে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও মাদক দ্রব্য উদ্ধার

সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

 

সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

অর্থ আত্মসাতের দুই মামলায় রিজেন্টের মালিক সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় ।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মঈনুল ইসলাম মামলা আমলে নিয়ে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৩ আগস্ট মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন বলেন,মামলার বাদি সাইফুল ইসলাম মাসুদ রাজধানীর কারওয়ান বাজারের মাসুদ এন্টার প্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক।

মামলার আসামি সাহেদ বাদির দোকান থেকে বিভিন্ন সময় রড ও সিমেন্টসহ বিভিন্ন মালামাল নিতেন।

মালামালের টাকা এক সময় দাড়ায় ৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। সাহেদ টাকা না দেয়ায় আজ এ মামলা করা হয়।

এদিকে গত ৬ জুলাই সাহেদের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।

অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে।

পরে শনিবার সন্ধ্যায় উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে রিজেন্ট হাসপাতালের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ

আলামতসহ মামলার প্রধান আসামী ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানকালে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, ‘আগে আমরা জানতাম, সাহেদের নামে ৩২টি মামলা রয়েছে।

অভিযানের পর তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। ভুক্তভোগীরা র‍্যাব ও থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সর্বশেষ আমরা আরও ২৩টি মামলার হদিস পেয়েছি।

সবমিলিয়ে, সাহেদের বিরুদ্ধে ৫৬টি মামলা রয়েছে। এর অধিকাংশ মামলাই প্রতারণা ও ব্যবসায়িক জালিয়াতি সংক্রান্ত’। বাসস।

 

আরও পড়ুন 

 

Do NOT follow this link or you will be banned from the site!