যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন ২০ হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছে

 

যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করেনাভাইরাসে নতুন করে আরো ৬৮৭ জোন প্রাণ হারিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যু ঘটে। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা যায়। খবর এএফপি’র।

এনিয়ে অষ্টম দিনের মতো দেশটিতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে প্রাত্যহিক মৃতের সংখ্যা হাজারের নিচে রয়েছে।

এদিকে, বৈশ্বিক এ মহামারিতে মৃতের ও আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে মোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৮১ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে মোট ২১ লাখ ৮৭ হাজার ৮৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

গত মধ্য এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে একদিনে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়ে যেতে দেখা যায়।

নিউইয়র্ক ও দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলের পরিবর্তে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চল করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার উৎপত্তি কেন্দ্রে পরিণত হওয়ায় এ দুই অঞ্চলের প্রায় ২০ অঙ্গরাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ফের বৃদ্ধি পেতে দেখা যাচ্ছে।

তবে, হোয়াইট হাউসের প্রধান সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞ বৃহস্পতিবার বলেন, নতুন করে কঠোর লকডাউন আরোপ করার আর প্রয়োজন নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজ্যে ফের লকডাউন আরোপ করা হবে কিনা জানতে চাইলেই জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থার অ্যান্থনি ফৌসি বলেন, ‘আমি মনে করি না লকডাউনে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে আমরা আলোচনা করবো।’

এক্ষেত্রে ‘আমি মনে করি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস ভালভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টার ব্যাপারে আমরা আলোচনা করতে পারি।’

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেলেও দেশটিতে প্রতিদিন আক্রান্তের তালিকায় নতুন করে প্রায় ২০ হাজার করোনা রোগী যোগ হওয়া অব্যাহত রয়েছে এবং দেশটির এক ডজনেরও বেশি অঙ্গরাজ্যে এ মহামারি শুরুর পর নতুন করে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ কনোরায় আক্রান্ত হচ্ছে।

দেশটি আক্রান্তের এ উচ্চ হার কমিয়ে আনতে লড়াই করে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে।