মাস্ক মুখে দেয়া ছাড়া ক্রেতারা দোকানে যেতে পারবেনা

লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মাঠে থাকবে ১০৬ ম্যাজিস্ট্রেট

 

কোন দোকানে বা শপিংমলে প্রবেশের সময় ক্রেতাদের মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

৫ মে মংগলবার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা থেকে পুলিশের আইজি, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আনসারের মহাপরিচালককে এই চিঠি দেওয়া হয়।

বলা হয় মাস্ক পরা ছাড়া কোন ক্রেতা দোকানে প্রবেশ করতে পারবেনা। দোকানের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠানের    সামনে সতর্কবাণী হিসেবে ‘স্বাস্থ্যবিধি না মানলে মৃত্যুঝুঁকি আছে’—লেখা ব্যানার টাঙাতে হবে।

এতে বলা হয়, সরকার দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলাসমূহে অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানপাট ও শপিং মল আগামী ১০ মে থেকে সীমিত আকারে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাট-বাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিং মল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। তবে ফুটপাতে বা প্রকাশ্যস্থানে হকার, ফেরিওয়ালা ও অস্থায়ী দোকানপাট বসতে দেওয়া যাবে না। প্রতিটি শপিংমলে প্রবেশের ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আন্তঃজেলা, উপজেলায় যোগাযোগে জনগণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এক উপজেলার লোক অন্য উপজেলায় এবং এক জেলার লোক অন্য জেলায় চলাচল করতে পারবে না। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। আগের মতো জরুরি পরিষেবা কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, রফতানিসামগ্রী, ওষুধ ইত্যাদি পরিবহন কাজে সড়ক ও নৌপথে যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকবে। সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আসন্ন ঈদের ছুটিতে সবাইকে নিজ নিজ এলাকা ও কর্মস্থলে থাকতে হবে এবং আন্তঃজেলা, উপজেলা ও বাড়িতে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের স্বাস্থ্যঝুকি বিবেচনা করে দায়িত্ব পালন করতে হবে।