ভারত ও চীনের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যস্থতা করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

চীন যা করেছে তা ভুলে যাওয়া উচিৎ নয় ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া চীন ভারত ব্রাজিল

 

পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব আগে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার চীনের সঙ্গে সংঘাত সামনে আসতেই ফের একবার মধ্যস্থতা করতে চাইছেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরে লাদাখের কাছে চীন সীমান্তে যে সংঘাতে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী। এই প্রসঙ্গেই এই বার্তা দিয়েছেন তিনি।

ট্যুইট করে মধ্যস্থতা করার কথা বলেছেন তিনি। লিখেছেন, ”আমরা ভারত ও চীন উভয়কেই বলেছি যে আমেরিকা প্রস্তুত আছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আমরা মধ্যস্থতা করতে রাজি।

গত কয়েকদিন ধরে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছে লাদাখে চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে আছে দুই দেশের সৈন্য। মূলত প্যাংগং তোসো লেক ও গালোয়ান ভ্যালির কাছে এই ঘটনা ঘটছে। ওই অঞ্চলে চীনের অন্তত ২০০০-২৫০০০ সৈন্য এগিয়ে এসেছে।

ইতিমধ্যএই এই বিষয়ে বৈঠক হয়েছে নয়াদিল্লিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অজিত দোভাল বৈঠক করেছেন। পাশাপাশি, তিন বাহিনীর প্রধানেরাও বৈঠক করে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন।

প্রাক্তন আর্মি কমান্ডার লেফট্যানেন্ট জেনারেল ডিএস হুদা বলেন, ‘এটা মোটেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। বিশেষ গালোয়ান ভ্যালিতে এভাবে চীনা সৈন্যের আনাগোনা বেশ উদ্বেগের বলে উল্লেখ করেছেন তিনি, কারণ ওই অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কোনও বিতর্ক নেই। অথচ সেখানেই সৈন্য মোতায়েন করেছে চীন।

কূটনীতি বিশেষজ্ঞ অশোক কে কন্ঠও একই কথা বলেন। তিনি বলেন, আগেও এভাবে চীনে সেনার এগিয়ে আসার ঘটনা ঘটেছে। তবে এবার বিষয়টা বেশ উদ্বেগের। এটা সাধারণ ঘটনা নয়। ২০১৭-তে ডোকলামে মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল দুই দেশের সেনা। এবারের সংঘাত তার থেকেও বড় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

গত ৫ মে সন্ধেয় চীনের ২৫০ সেনা যে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে, তার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে চলে গিয়েছে। একই রকম ঘটনা ঘটে ৯ মে নর্থ সিকিমে। ৫ তারিখে রীতিমত লোহার রড নিয়ে সংঘাত চলে দুই পক্ষের মধ্যে। পাথর ছোঁড়ার ঘটনা ও ঘটে। সূত্র- কলকাতা ।