বয়সসীমা নিয়ে দ্বিধায় ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা

 

কদিন পরেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯ তম জাতীয় সম্মেলন। কিন্তু সংগঠনটির পদ-প্রত্যাশীরা এখনো জানেন না তাদের সাংগঠনিক বয়স-সীমা ২৭ নাকি ২৯ বছর। এ নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন নতুন পুরান এক-ঝাঁক পদ-প্রত্যাশী। তবে নীতি নীতিনির্ধারক বলেছেন, বয়স-সীমা কোন সমস্যা নেই আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

ফজলুল হক মুসিলম হলে প্রতিষ্ঠিত হয় উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ছাত্র-সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সংগঠনটি গত ৭০ বছরে দেশের বিভিন্ন ক্রান্তি-লগ্নে পালন করেছে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কিন্তু গত কয়েক দশকে মারামারি হানাহানি থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজি, হল দখলসহ জন্ম দিয়েছে নানা অনাকাঙ্খিত ঘটনার।

চলতি মাসের ১১ ও ১২ মে ২৯ তম সম্মেলন করতে যাচ্ছে সংগঠনটি। তবে এই সম্মেলনে নতুন নেতৃত্বের বয়স-সীমা কত তা এখনো জানেন না পদ-প্রত্যাশীরা। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রে ২৭ বছর বলা হলেও গত কমিটিতে ও ২৯ বছর পর্যন্ত বয়স-সীমা দিয়েছিলেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

এবারের সম্মেলনে ছাত্রলীগের বয়সসীমা কত থাকবে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট কিছুই বলেননি বর্তমান সভাপতি ও নীতিনির্ধারকরা।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, আমাদের গঠনতন্ত্র ও মাননীয় শেখ হাসিনার বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।  এবং এর বাইরে আমাদের কোন সময়ে যাওয়াও হয়নি।

আওয়ামী লীগের সাংগঠিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম গণমাধ্যমে বলেন, অনুসরণ করে আগামী জাতীয় লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তবে জননেত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত দিবেন, তার সিদ্ধান্ত সেখানে চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

এছাড়া একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সহযোগী সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব কতটা দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবেন, এ নিয়ে ও রয়েছেন নানা প্রশ্ন। তবে ছাত্রলীগের নেতারা বলছেন, এটি ছাত্রলীগের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ।