ব্যাংক ঋণের আবেদনে যুক্ত করতে হবে ভ্যাটের তথ্য

 

এখন থেকে ভ্যাট রিটার্ন ছাড়া ব্যাংকের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন না দেওয়ার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এই নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রাহকরা ঋণের জন্য আবেদন করলে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের সঙ্গে ভ্যাট রিটার্নের তথ্য যাচাই-বাছাই করতে হবে।

অর্থাৎ ভ্যাট রিটার্ন ছাড়া ঋণ দিলে এর জন্য দায়ী থাকবেন সংশ্নিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

২২ জুন সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি এনবিআরের ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

একইসঙ্গে সব বাণিজ্যিক ব্যাংক যাতে এ নির্দেশ পালন করে, সে বিষয়ে চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সরকারের রাজস্ব ফাঁকিরোধে এনবিআর এই উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এখনও পর্যন্ত দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এ সংক্রান্ত কোনও চিঠি ইস্যু করেনি।

জানা গেছে, বর্তমানে কোনও গ্রাহক ব্যাংকের কাছে ঋণের জন্য আবেদন করলে ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন সনদ, আর্থিক বিবরণী (অডিট রিপোর্ট), প্রজেক্ট প্রোপাইলসহ কমপক্ষে ৭/৮ ধরনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট লাগে।

এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঋণ অনুমোদন করা হয়। এনবিআরের এই আদেশের ফলে নতুন করে ব্যাংকগুলোকে মাসিক ভ্যাট রিটার্নের তথ্য যাছাই-বাছাই করতে হবে।

এনবিআরের আইন অনুযায়ী, যোগ্য প্রত্যেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে প্রত্যেক মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

 

Do NOT follow this link or you will be banned from the site!