বাংলাদেশের অভ্যান্তরীণ রুটে বিমান চলবে ১ জুন থেকে

দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৪০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক।  বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে তারা সৌদি আরবে আটকা পড়েছিলেন বলে জানা যায়।

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে দুই মাসেরও বেশি ধরে বন্ধ থাকার সময় পরে আগামী ১ জুন থেকে সীমিত আকারে বিমান চলাচল শুরু হবে।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন সচিব এম মহিবুল হক আজ বলেন, ‘আমরা সীমিত আকারে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রাথমিকভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-সৈয়দপুর রুটে বিমান চলাচল করবে। তবে, আন্তর্জাতিক রুটে ১৫ জুন পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রয়েছে।’

সিনিয়র সচিব বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে তারা রাজশাহী ও যশোরসহ সাতটি আভ্যন্তরীণ রুটে পুনরায় বিমান চালু করার বিষয়ে ১৫ জুনের পরে বিবেচনা করবেন।

তিনি বলেন, আমরা আন্তর্জাতিকভাবে চলমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়েও বিবেচনা করছি, পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে ১৫ জুনের পরে বিমানের পরিচালনার কথা ভাবছি।’ তিনি আরো বলেন, লন্ডন রুটে বিমান পুনরায় চালু করা সরকারের বিবেচনাধীন। বাসস।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের গাইডলাইন অনুসারে, সকল এয়ারলাইন্সকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি ফ্লাইটে কমপক্ষে ৩০ থেকে ২৫ শতাংশ আসন খালি রাখতে হবে, কমপক্ষে দুই যাত্রীর মধ্যে একটি সিটের ফাঁক রাখতে হবে, যদি তারা একই পরিবারের সদস্য না হয়ে থাকেন।

যদি কোনও যাত্রীর কোভিড-১৯ উপসর্গ পাওয়া যায়, ক্রু সদস্যদের উচিত অবিলম্বে গন্তব্য বিমানবন্দরের সাথে যোগাযোগ করা এবং অবতরণের পরে বিমানবন্দর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে সন্দেহভাজন রোগীকে হস্তান্তর করা।

এয়ারলাইন্সের সকল কর্মীকে মাস্ক, গ্লাভস এবং ডিসপোজেবল ক্যাপ পরতে হবে। বিমানের পাইলট ও ক্রুদের জন্য অনুরূপ বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছে।

যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা হবে এবং চেক-ইন কাউন্টারগুলোর সামনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে।