বলিউডে নির্মিত সেরা প্রাপ্ত বয়স্কদের ছবি!

 Adult

বলিউডি ছবি দেখেন সারা দেশের সিনেপ্রেমীরাই৷ কিন্তু সব ছবি সব দর্শকের জন্য নয়৷ একদা  হিন্দি ছবিও ছিল ধর্মমূলক ও দেশপ্রেমের বিষয়বস্তুতে ভরা৷ কিন্তু ক্রমে ক্রমে সময়ের চাহিদা মেনেই বদলায় সিনেমার বিষয়৷ রোম্যান্টিক ছবির আবহেই পর্দায় উঠে আসতে থাকে সাহসী দৃশ্য৷ রাজ কাপুরের ছবিতেই নায়িকা পদ্মিনীর বৃষ্টিতে ভেজা কিংবা আর একটু পরে ‘রাম তেরি গঙ্গা মইলি’ ছবিতে মন্দাকিনীর সাহসী ঝর্ণাস্নানের মধ্য দিয়েই যৌনতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল পর্দায়৷ পরবর্তীকালে ছায়াছবির চরিত্ররা আরও বাস্তবসম্মত হয়ে উঠল৷ রাখঢাক, আড়াল-আবডাল ফেলে সাহসী দৃশ্যায়ন দেখা গেল বড় পর্দায়৷ সেন্সরের নির্দেশে সে সব ছবি একান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্দিষ্ট করে রাখা৷ একঝবলকে দেখে নেওয়া যাক বলিউডের কিছু প্রাপ্তবয়স্কদের ছবি৷

উৎসব

১৯৮৪- তে মুক্তি পেয়েছিল রেখা, শেখর সুমনের অভিনয়ে উৎসব৷ শুদ্রকের ‘মৃচ্ছকটিক’ অবলম্বনে এ ছবিতে রেখা অভিনয় করেছিলেন এক বাইজির ভূমিকায়৷ ছবির বিষয়বস্তুর নিরিখেই  প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আলাদা করা হয়েছিল এ ছবি৷ শেখর সুমন ও রেখার স্নানদৃশ্যের মতো সাহসী অনেক  দৃশ্য ছিল ছবিতে৷শিল্প নির্দেশনার জন্য সে বছর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল এ ছবি৷

06shekhar-suman5

মায়া মেমসাব

১৯৯৩ এর এ ছবিও যথেষ্ট হইচই হয়েছিল৷ছবিতে ছিলেন শাহরুখ খান, রাজ বব্বর, ফারুখ শেখ এবং দীপা সাহি৷ দীপা শাহির নগ্নতার জন্যই এ ছবি খবরের শিরোনামে উঠে আসে৷ শাহরুখের সঙ্গে দীপার ঘনিষ্ঠ দৃশ্যও ছিল আলোচনার বিষয়বস্তু৷

আস্থা

রেখা ও ওম পুরির অভিনয়ে  এ ছবি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৭ সালে৷ এক বিবাহিত মহিলা কীভাবে পতিতা রমণীতে রূপান্তরিত হন, সে কাহিনি ছিল এ ছবিতে৷ ছবিতে ওং পুরীর সঙ্গে রেখার ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জন্য তা প্রাপ্ত  বয়স্কদের জন্য নির্দিষ্ট হয়৷ রেখা এ ছবির জন্য স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান পেয়েছিলেন৷ বলিউডে মূলধারার ছবি এবং সমান্তরাল ছবির দূরত্ব ঘুচিয়ে দিয়েছিল এ ছবি৷ ব্যবসার নিরিখে তো বটেই সমালোচকরাও আস্থা রেখেছিলেন ‘আস্থা’তে৷

এক ছোটি সি লাভ স্টোরি

এক পোলিশ ফিল্মের হিন্দি ভার্সনছিল এ ছবিতে৷ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন মণীষা কৈরালা , রণবীর শুরি প্রমুখ৷ ছবিতে মণীষার অভিনীত কিছু দৃশ্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল৷ যদিও পরে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সেগুলি মণীষা নিজে অভিনয় করেননি৷

ফায়ার

দীপা মেহতার ‘ফায়ার’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৬ সালে৷ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শাবানা আজমি, নন্দিতা দাস প্রমুখ৷ দুই গৃহবধূ, পুরুষতন্ত্রের নিগড়ে আটকা পড়ে কীভাবে একে অন্যেক কাছে চলে এসেছিল তাই দেখিয়েছিলেন পরিচালক৷ শাবানা-নন্দিতার মিলিত হওয়ার দৃশ্য, নন্দিতার সেমি ন্যুডিটির জেরে ছবিটি প্রাপ্তবয়স্কের তকমা পায়৷ তবে তার থেকেও এ ছবির বিষয় ছিল প্রাপ্ত বয়স্ক ও মনস্কদের জন্য৷

জিসম

২০০৩ এর ‘জিসম’ আক্ষরিক অর্থেই ছিল বলিউডের সাহসী পদক্ষেপ৷ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বিপাশা বসু৷ এ ছবিতেই অভিষেক হয় জন আব্রাহামের৷ জন-বিপাশা ব্যক্তিগত জীবনেও সে সময় ছিলেন প্রেমিক-প্রেমিকা৷ ছবিতে তাঁদের দু’জনের রসায়নও ঘনিষ্ঠতা তুমল আলোচনার বিষয় হয়েছিল৷

মার্ডার

২০০৪-এ মুক্তি পেয়েছিল এ ছবি৷অভিনয় করেছিলেন মল্লিকা শেরওয়াত ও ইমরান হাসমি৷ অনুরাগ বাসুর এ ছবিও বলিউডি সাহসী ছবির এমাইলস্টোন৷

Murder-2004-Hindi-Movie

গার্লফ্রেন্ড

২০০৪ এর এ ছবি সামনে আনল মহিলাদের সমকামিতা৷ অভিনয় করেছিলেন ঈশা কোপিকার ও অমৃতা অরোরা৷ ছবির বিষয়ই এমন ছিল যা টেনে এনেছিল ঘনিষ্ঠ দৃশ্য৷ স্বাভাবিক ভাবেই এ ছবি ছিল প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যই৷

দেব ডি

২০০৯ এ মুক্তি পেয়েছিল অনুরাগ কাশ্যপের এ ছবি৷ বিখ্যাত ‘দেবদাস’কেই সমসময়ের ইন্টারপ্রিটেশনে ধরেছিলেন পরিচালক৷ ফলত পুরনো দেবদাসে যা ঠিল ইশারা, তা সরাসরি স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছিল পর্দায়৷  ছবিতে কালকি, অভয় দেওলের ঘনিষ্ঠ দৃশ্যও যথেষ্ট সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল৷

dev_d1