দেড় কোটি কর্মসংস্থানের টার্গেটে ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা

s4ndmnefXvmc

গড়ে ৭ দশমিক ৪ ভাগ প্রবৃদ্ধি ধরে চূড়ান্ত হয়েছে ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। ২০১৬ থেকে ২০২০ ওই ৫ বছরে সম্ভাব্য বিনিয়োগ ধরা হয়েছে প্রায় ৩২ লাখ কোটি টাকা। ওই সময়ে দেড় কোটি মানুষের কাজের সুযোগ হবে বলেও আশা করেছে সরকার। রাজনৈতিক অস্থিরতার শংকা না থাকলে অর্থনীতীক প্রবৃদ্ধির হার আরো বেশি হতে পারতো এমনটি মনে করছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী।

“ প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করণ, নাগরিকের ক্ষমতায়ন” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে তৈরী ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনায় আগের মতোই গুরুত্ব পেয়েছে কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে জনআয় বৃদ্ধির। জোর দেয়া হয়েছে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগে গতি আনা, রপ্তানী ও রেমিটেন্সে প্রণোদনা এবং সবুজ প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর।

বেসরকারী খাতকে উৎসাহ দেয়া, সঞ্চয় ও বিনিয়োগের ভারসাম্য রেখে নিজেদের অর্থে শক্তিশালী অর্থনীতি নির্মাণই হলো ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ভিত্তি।জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ এনইসি’র সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২০ থেকে ২০৪০ সাল মেয়াদী আরো একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তৈরীর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী।প্রায় ১০ বছর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার পর এই সরকারের আগের মেয়াদে আবারো পাঁচশালা পরিকল্পনায় ফিরে যায় বাংলাদেশ। ৩০ জুন শেষ হয়েছে ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ। ওই সময়ে পেশাজীবী এবং নাগরিকদের মতামত নিয়ে তৈরী হয়েছে ৭ম পরিকল্পনা দলিল।