দেশে সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা হঠাৎ এত কমে গেল কেন ?

বাংলাদেশে সিজার ( সিজারিয়ান ) অপারেশনের সংখ্যা হঠাৎ এত কমে গেল কেন ? এমনি প্রশ্ন তুলেছেন ব্যারিস্টার সুমন ।

তিনি তার একটি ফেইসবুক লাইভে এই প্রশ্ন করে নিজেই এর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, তিনি এক অসমর্থীত সূত্রে জেনেছেন যে, এই লকডাউন থাকাকালীন সময়ে বাংলাদেশে ১ লক্ষ্য ৭৫ হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করেছে এর মাঝে মাত্র ৪ % হচ্ছে সিজার আর ৯৬ % শিশু স্বাভাবিক ভাবে জন্মগ্রহণ করেছে । তিনি জিজ্ঞেস করতে চান, যখকন লকডাউন ছিলনা তখন ৭০ থেকে ৮০ % শিশু সিজারের মাধ্যমে জন্ম নিয়েছে। বিভিন্ন ক্লিনিকে ডাক্তারদের কাছে গেলে তারা এমন ভাবে বুঝাতেন যেন সিজার না করালে বাচ্চা আর মা বুঝি বাচানোই যাবেনা। কিন্তু এখন লকডাউন এই করনা ভাইরাস আমাদের কত কিছু শিখাচ্ছে। এর একটি এটি ।

তিনি আরও বলেন, “আপনারা জানেন যে এই সিজার নিয়ে আমি একটি রিট করেছলাম প্রায় ৬/৭ মাস আগে । যে অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে কেন সরকার ব্যবস্থা নিবেনা ? , সরকার কি ব্যবস্থা নিয়েছে আমি জানিনা, তবে প্রকৃতি কিন্তু এমন ব্যবস্থা নিয়েছে ক্লিনিক গুলো আর খোলাই রাখা যাচ্ছেনা । এখন আর ক্লিনিকে ব্যবসা করার সুযোগ নাই। কিন্তু বাচ্চা হওয়াতো আর বন্ধ হচ্ছেনা । কিন্তু সিজার বন্ধ হয়ে গেছে।  আবার এর কারনে যে মাতৃ মৃত্যুর হার বেড়ে গেছে তা বলা যাবেনা। এ থেকে বুঝা যায় প্রপার রেস্ট নিলে এবং কিছু নিয়ম মানলে বাড়িতেই নরমাল ডেলিভারি সম্ভব”।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, “দেখুন আমরা হয়তো লকডাউনের পরে নাও থাকতে পারি ,তবে যারা থাকবে তাদের জন্য এই তথ্যটি রেখে যেতে চাই । এই সিজার গুলো আসলেই অপ্র্যয়োজনীয় ছিল । কিছু কিছু ডাক্তারদের ব্যবসার কারণে আমাদের দেশের সুস্থ মায়েদের অহেতুক সিজারের মুখে ঠেলে দেন”।