ডা. সাবরিনা আরিফের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

ডা. সাবরিনা আরিফের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

 

ডা. সাবরিনা আরিফের রিমান্ড চাইবে পুলিশ । রোববার সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এসব তথ্য জানান।

করোনাভাইরাস টেস্ট নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফকে গ্রেফতারের পর তেজগাঁও থানায় পাঠানো হয়েছে।

তাকে সোমবার আদালতে থেকে রিমান্ড চাইবে পুলিশ।

১২ জুলাই ডা. সাবরিনাকে গ্রেফতারের পর ডিসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে যেসব প্রশ্ন করা হয়েছে তিনি সেগুলোর সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।

তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার তদন্তের জন্য তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। সোমবার ডা. সাবরিনা আরিফের রিমান্ড চাইবে পুলিশ।

এর আগে রোববার দুপুরে তাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ কামশনার (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

জেকেজি হেলথ কেয়ারের করোনা টেস্ট নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এরইমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সাবরিনা তার স্ত্রী।

জানাগেছে, জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ১১হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনার আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়।

জেকেজির মাঠকর্মীরা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়া মানুষের নমুনা সংগ্রহ করতেন।

প্রতি রিপোর্টে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়া হতো। আর বিদেশিদের কাছ থেকে নেন ১০০ ডলার। সেই হিসাবে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্টে প্রায় ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জেকেজি।

এর আগে ২৪ জুন জেকেজির গুলশান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রতারক আরিফসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তাদের দুদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

জেকেজির কার্যালয় থেকে ল্যাপটপসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় চারটি মামলা হয়েছে।

 

আরও পড়ুন

 

Do NOT follow this link or you will be banned from the site!