টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে গণধর্ষণ, গ্রাম পুলিশসহ আটক ৩

টাঙ্গাইলের ভূঞা420পুরে পিতার সামনে দুই মেয়েকে গণধর্ষণের রেশ না কাটতেই এবার গণ ধর্ষণের শিকার হলেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক গৃহবধু। গত রোববার রাতে উপজেলার ফলদা এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা ঘটে। প্রথমদিকে ঘটনার ধামাচাপার দেয়ার চেষ্টা চালালেও পরে তা প্রকাশ পেয়ে যায়। আর এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে গ্রাম পুলিশ মঙ্গল চন্দ্র (৪২), আমির উদ্দিন (২৫) ও মিজানুর রহমানকে আটক করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গোপালপুর উপজেলার নব গ্রাম এলাকার এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গৃহবধূর সাথে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিচয় হয় একই উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের জোত আতাউল্লাহ গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে আমিরের সাথে। বেশ কিছুদিন চলতে থাকে তাদের ফোনালাপ। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে আমির আলী কৌশলে ওই গৃহবধূকে তার নিজের কাছে নিয়ে আসে। সারাদিন সিএনজি চালিত অটোরিকশাযোগে গৃহবধূকে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় আমির। সন্ধ্যার পর ওই গৃহবধূ বাড়িতে যেতে চাইলে তাকে বাড়িতে যেতে না দিয়ে আমির নিজ বাড়িতে রাখার আশ্বাসে কৌশলে স্থানীয় ফলদা গ্রামের গ্রাম পুলিশ মঙ্গলের বাড়িতে নিয়ে যায়। ওই বাড়িতে মঙ্গল ও মঙ্গলের স্ত্রীর সহযোগীতায় আমির উদ্দিন ও মিজানুর রহমান তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ওই গৃহবধু চিৎকার করলে রাত ২ টার দিকে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আতাউল্লাহ ব্রীজের নীচে নিয়ে আমির, মিজানুর ও তাদের সহযোগীরা দ্বিতীয় দফায় রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরেরদিন সকালে গৃহবধু স্থানীয় ঝনঝনিয়া গ্রামের তার বোন জামাই আব্দুল মালেককে খুলে বলে। পরে মালেক শনিবার সকালে সুকৌশলে গ্রাম পুলিশ মঙ্গল চন্দ্র, আমির উদ্দিন ও মিজানুর রহমানকে ডেকে এনে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ ফজলুল কবির বলেন, এ ঘটনায় মঙ্গল চন্দ্র, আমির উদ্দিন ও মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।