চীন-ভারত উত্তেজনায় আমেরিকান যুদ্ধ জাহাজের আগমন

চীন ভারত উত্তেজনায় আমেরিকান মার্কিন

 

চীন ভারত উত্তেজনায় আমেরিকান যুদ্ধ জাহাজের আগমন ঘটেছে চীন সাগরে ।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ চীন সাগরে রীতিমতো যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে এমনই খবর প্রকাশ করছে ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লাদাখ সীমান্তে ভারতের সঙ্গে চীনের বিবাদ চলছিল গত কয়েকদিন ধরেই।

আর সেই সময়েই তিনটি মার্কিন রণতরী এসেছিল ইন্দো প্যাসিফিক জোনে।

দক্ষিণ চীন সাগরে বেজিংয়ের আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে। একের পর এক মহড়া চালাচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে পাল্টা শক্তি প্রদর্শনে একাধিক মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ। যা নিয়ে চরমে উত্তেজনা।

শোনা যাচ্ছে, আরও যুদ্ধ জাহাজ পাঠাচ্ছে আমেরিকা। ইতিমধ্যে যুদ্ধ জাহাজগুলি দক্ষিণ চীন সাগরের দিকে রওনা হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

বিগত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে লাগাতার দক্ষিণ চীন সাগরে বেজিংয়ের নৌবাহিনীর অতি সক্রিয়তা ও মহড়ার কারণেই এবার মার্কিন রণতরী থেকে যুদ্ধবিমানও চূড়ান্ত টহলদারি শুরু করেছে।

মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, অতিআধুনিক ইউএসএস রোনাল্ড রেগন এবং ইউএসএস নিমিৎজ ডুয়াল ক্যারিয়ার মহড়া শুরু করেছে।

কারণ দক্ষিণ চীন সাগরের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ নিজেদের দখলে রাখতে চীন এখানে অতি সক্রিয়তা শুরু করেছে।

চীন-ভারত উত্তেজনায় আমেরিকান দু’টি কমব্যাট কেরিয়ার যেভাবে আগ্রাসীভাবে মহড়া দিতে শুরু করেছে তাতে চীন বাধ্য হয়ে বিবৃতি দিয়েছে।

তাতে জানানো হয়েছে যে, মার্কিন নৌবাহিনী অতি সক্রিয়তার সীমা লঙ্ঘন করছে। এদিকে মার্কিন রণতরীর এই তৎপরতার সঙ্গে সঙ্গে ফিলিপিন্সও চীন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

তাঁরা বলেছে, দক্ষিণ চীন সাগর থেকে অবিলম্বে সরে যেতে হবে বেজিংকে। অন্যথায় ফিলিপিন্স বাধ্য হবে প্রত্যাঘাতের পথে যেতে।

এদিকে জাপান এবং চীনের মিসাইল একপ্রকার মুখোমুখি মোতায়েন রয়েছে গত মাস থেকেই।

সব মিলিয়ে লাদাখ সীমান্তে ভারতের বিরুদ্ধে চীনা সেনাবাহিনীর অতি আগ্রাসী আচরণের পাশাপাশি একের পর এক দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কেরও চরম অবনতি হচ্ছে।

এমনকী মায়ানমারও সম্প্রতি চিনকে দায়ী করেছে তাদের দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য। সুতরাং চীন আন্তর্জাতিকভাবে রীতিমতো কোণঠাসা।

এই পরিস্থিতিতেই ভারতের বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীতে আসছে অ্যাসট্রা মিসাইল। সম্পূর্ণ ভারতে তৈরি মোট ২৪৮টি অ্যাসট্রা মিসাইল আসবে।