চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস লকডাউন

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ক্যাম্পাস ১৪ দিনের জন্য লকডাউন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আজ ৪ জুলাই শনিবার সকাল থেকে লকডাউন কার্যকর হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ক্যাম্পাসে দ্রুত করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় ৪ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত ১৪ দিন চবি ক্যাম্পাস সর্বাত্মক লকডাউন

করা হয়েছে। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক কার্যক্রম নগরীর চারুকলা ইনস্টিটিউট অফিস থেকে পরিচালিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গে জরুরি আলোচনা শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

গত সপ্তাহে উপাচার্য দফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর করোনায় আক্রান্ত হন।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর গেট সংলগ্ন কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা শোভা কলোনীতে দু’জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

এর পর পরই ক্যাম্পাস এলাকা লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ।

 

চট্টগ্রামে করোনার সর্বশেষ

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২৬৩ জনের  দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

তারমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৬ জন এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ৬৭ জন ।

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছে ৪৭ জন ।

ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি, চট্টগ্রাম ভেটেনারি বিশ্ববিদ্যালয়, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল,

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইমপেরিরিয়াল হাসপাতাল ও শেভরণের নমুনা সংগ্রহের রিপোর্টের ভিত্তিতে এই সংখ্যা জানানো হয় ।

আজ ৪ জুলাই গত ২৪ ঘন্টার এ তথ্য প্রকাশ করেন চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ফজলে রাব্বি ।

চট্টগ্রামের বিআইটিআইডিতে ২৬১ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

তারমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে ১২ টি এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ৫ টি রিপোর্ট পজেটিভ পাওয়া যায় ।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাঁসপাতালে ৩৬৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় । তারমধ্য মহানগর এলাকার ৮২ জন এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ৫ জনের পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়।

চট্টগ্রাম ভেটেনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩৯ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় ।

তারমধ্য চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ২ জন এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ৫ জনের পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায় ।

ইমপেরিয়াল হাঁসপাতালে ১৫৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় । তারমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ৩১ টি ও উপজেলায় ৩ টি পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায় ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১৯ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় । তারমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে ২৪ টি এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ৩৯ টি পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায় ।

কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাপাতালে ১ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় । তারমধ্যে ১ টি পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায় ।

শেভরণ ল্যাবরেটরীতে ৯৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় । তারমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে ৪৫ টি এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ৯ টি পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায় ।

 

Karnaphuli News