চট্টগ্রামে ৬ বেসরকারি হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

চট্টগ্রামে সাড়ে ১১ হাজার ইয়াবাসহ পুলিশের উপ-পরিদর্শক গ্রেফতার

 

চট্টগ্রামে ছয়টি বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত ।

১১ জুন বৃহস্পতিবার, এই অভিযান চালানো হয়।

রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছে না এ ধরণের অভিযোগ উঠার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে বেসরকারি হাসপাতালে এই অভিযান শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা থেকে নগরে ছয়টি হাসপাতালে একযোগে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুস সামাদ শিকদার।

যে সকল হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়েছে সেগুলো হলো- নগরীর শেভরন, ডেল্টা, সিএসসিআর, মেডিকেল সেন্টার, রয়েল ও ন্যাশনাল হাসপাতালে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে,  হাসপাতালগুলোর যতটুকু ধারণ ক্ষমতা আছে সে অনুযায়ী যাতে সম্পূর্ণ সেবা রোগীরা পায়। সেজন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে।

এই অভিযানে কোন হাসপাতালকে জরিমানা করা হয়নি। তবে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতালে যদি রোগীর চিকিৎসা না করে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানানো হয়েছে।

অভিযানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষগুলোকে রোগী এবং রোগীর স্বজনদের প্রবেশের ক্ষেত্রে কোভিড এবং নন কোভিড এটা যেন যথাযথ ফিল্টারিং করা হয় এ বিষয়টা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

প্রবেশের ক্ষেত্রে করোনা উপসর্গ থাকা রোগীদের আলাদা জায়গা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে নন কোভিড রোগী সংক্রমিত না হয়।

এসময় তাদের স্যানিটাইজেশনসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস’র সাথে ভিডিও কনফারেন্স হয় বেসরকারি হাসপাতাল মালিক সমিতির সাথে। সেখানে রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলা হয়।

এমন নির্দেশনার পরও রোগীদের চিকিৎসা সেবা না দিয়ে ফেরত দেয়ার ঘটনা সামনে আসায় ওই বৈঠকেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।