চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন নিম্নঞ্চল সমূহে ৪ থেকে ৫ ফুট অধিক জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

সারাদেশে অতি ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

 

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ দেশে বিভিন্ন এলাকার চর সমূহের নিম্নঞ্চল স্বভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট অধিক জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ।

আজ ১৮ মে সোমবার, আবহাওয়া অফিসের এক বিশেষ বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয় ।

বুলেটিনে জানানো হয়, সমুদ্রে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি সুপার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে । ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে এর একটানা বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ২২৫ কিলোমিটার যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়া আকারে ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে । এর প্রভাবে সাগর খুব বিক্ষুদ্ধ রয়েছে ।

ইতিমধ্যেই চট্টগ্রাম, ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর সমূহকে ৬ নম্বর এবং মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে ।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় এবং আমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখলি, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলা সমূহের চরাঞ্চলসহ নিম্নঞ্চল গুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে ।

ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখলি, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলা সমূহের চরাঞ্চলসহ নিম্নঞ্চল সমূহে ভারী থেকে অত ভারী বর্ষণসহ ঘন্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এছাড়াও উত্তর বঙ্গোপসাগরে ও গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে ।