এসপি স্ত্রী মিতু হত্যা মামলার আসামী ভোলাইয়াসহ ২ জন গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

volaiya

এসপি স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে সিএমপি’র একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে আসামী ১) এহতেশামুল হক ওরফে ভোলাইয়া (৪১), পিতা-মৃত সিরাজুল হক, মাতা-তৈয়বা বেগম, সাং- রাজাখালী, বিশ্বরোডের পূর্ব পার্শ্বে, হোল্ডিং নং-১৫৭৪ ভোলার বাড়ী, থানা-বাকলিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম, ২) মোঃ মনির হোসেন প্রকাশ মনির (২৮), পিতা-মৃত ওহিদ মিয়া, মাতা-নুরজাহান বেগম, সাং-জানঘর, থানা-মুরাদনগর, জেলা-কুমিল্লা, বর্তমানে- রাজাখালী, বিশ্বরোডের পশ্চিম পার্শ্বে, গফুর ভিউ, থানা-বাকলিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম’দ্বয়কে ০১টি বিদেশী পিস্তল, .৩২ বোরের ০১টি দেশীয় তৈরী রিভলবার, ০১টি ম্যাগাজিন ও ০৬ রাউন্ড .৩২ বোরের গুলিসহ হাতে নাতে গ্রেফতার করে।

মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় ইতিপূর্বে গ্রেফতারকৃত আসামী ওয়াসিম জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র গুলি তারা হত্যাকান্ডের আগে ধৃত আসামী ভোলার নিকট হতে সংগ্রহ করেছিল এবং হত্যাকান্ড শেষে উক্ত অস্ত্র গুলি ভোলার নিকট ফেরত প্রদান করে। ওয়াসিম (২৭) এর স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতে মামলার আসামীদের গ্রেফতার ও ব্যবহৃত অস্ত্র গুলি উদ্ধারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীতে অভিযান পরিচালনা করা কালে ২৬ জুন রাত ১০.৩০ ঘটিকার সময় বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী এলাকা হতে এহতেশামুল হক প্রকাশ ভোলাইয়া (৪১)’কে গ্রেফতার করা হয়। ভোলা’কে জিজ্ঞাসাবাদে সে মাহমুদা খানম মিতু হত্যা কান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র গুলি সরবরাহ করেছিল বলিয়া স্বীকারোক্তি প্রদান করে এবং হত্যাকান্ডের পরে খুনিরা উক্ত অস্ত্র গুলি আসামী ভোলার নিকট ঘটনার দিন সকাল অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় ফেরত প্রদান করে বলিয়া জানায়। পরবর্তীতে ভোলা পুলিশী অভিযানের ভয়ে উক্ত অস্ত্র গুলি তাহার বিশ্বস্ত লোক বর্ণিত আসামী মনির এর নিকট জমা রাখে।

অদ্য ২৮জুন আসামী ভোলার স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতে ভোলাসহ অভিযান পরিচালনাকালে ভোর ০৪.৪৫ টার সময় বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী রোডস্থ এরশাদের কলোনীর ৮নং কক্ষে অভিযান পরিচালনা করিয়া আসামী মোঃ মনির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। অতঃপর ভোলা ও মনিরের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে এবং মনিরের নিজ হাতে খাটের নীচ হতে বের করে দেওয়া মতে বর্ণিত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ভোলা জানায় গত ০৪ জুন পুলিশ সুপার জনাব বাবুল আক্তার এর স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যার উদ্দেশ্যে আসামী ওয়াসিম ও মুছা বর্ণিত অস্ত্র গুলি তাহার নিকট হইতে সংগ্রহ করিয়া ছিল এবং হত্যা কান্ড শেষে ০৫ জুন সকাল অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় ফেরত দেয়। উল্লেখ্য যে, ভোলার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র আইন (১০ বছরের সাজা প্রাপ্ত), জননিরাপত্তা আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে সিএমপির বিভিন্ন থানায় ১৬ টি মামলা রয়েছে মর্মে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

 

সুত্র- সিএমপি।